নাম : এ. বি. এম. শফিকুল ইসলাম

পিতা : মৃত : এস. এম. আলাউদ্দীন

গ্রাম : চুকনগর,

ইউনিয়ন : আটলিয়া,

ডাক : চুকনগর

থানা : ডুমুরিয়া,

জেলা : খুলনা

শিক্ষাগত যোগ্যতা : এম. এ.

১৯৭১ সালে বয়স : ১৫/১৬

১৯৭১ সালে পেশা : ছাত্র

বর্তমান পেশা : অধ্যাপনা

 

 

প্র: ১৯৭১ সালে পাক বাহিনীর হাতে আপনি আক্রান্ত হয়েছিলেন কি ?

 

উ: আমি সরাসরি আক্রান্ত হই নাইতবে চুকনগরে যেদিন বড় হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে সেদিন আমি আক্রান্ত হতে পারতামঘটনাটা অত্যন্ত মর্মান্তিক ছিলোবাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এ রকম ঘটনা বোধহয় আর নাইচুকনগরে গণহত্যা হয়েছিলো ১৯৭১ সালের ২০ মেসেদিন আমি গুলিগোলা শুরু হওয়ার আগেই নিরাপদ স্হানে চলে যেতে সক্ষম  হয়েছিলামএ ছাড়া আর কখনও ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত হই নাইকখনও হয়তো খবর পেতাম যে,রাজাকাররা আমাকে মেরে ফেলবে বা পাকিস্তানি মিলিটারিদের হাতে ধরায় দিবে যে কারণে আমি ভীতির মধ্যে ছিলাম

 

প্র: আপনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন কি ?

 

উ:  হ্যাঁ,করেছি

 

প্র: কেন করলেন ?

 

উ: ২০ মে চুকনগরে গণহত্যা হলোতারপরে আশঙ্কা বোধ করতে লাগলাম যে,পাক বাহিনী আমাদেরকেও  মেরে ফেলবেসুযোগ পেলে স্হানীয় রাজাকাররা আমাকে ধরে নিয়ে যাবেতখন ভাবলাম যে,এই মুহূর্তে যদি আমরা এলাকায় শুধু শুধু বসে থাকি তবে আমি মারা পড়বোচারদিকের বহু লোক তখন মুক্তিযুদ্ধে যাচ্ছেআমরা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক এবং আমি ছাত্রলীগের এই এলাকার স্হানীয় সংগঠক সেহেতু এখন আর আমার বসে থাকা উচিত হবে নাদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছেআমারও যাওয়া দরকারএটা মনে করেই আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করলাম

 

প্র: আপনার এলাকায় পাকিস্তান সেনা বাহিনী কখন আক্রমণ করলো ?

 

উ: ২০ মে প্রথম তারা এখানে আক্রমণ করেসেদিন আমি এই এলাকাতেই ছিলামওই দিনই এখানে ব্যাপক গণহত্যা হয়এটা চুকনগর হত্যাকান্ড বলে খ্যাত২০ মে-র কয়েকদিন আগে থেকে চুকনগরের পূর্ব দিক--খুলনা, বাগেরহাট,এমন কি বরিশাল এলাকার বিভিন্ন থানা--দাকোপ,বটিয়াঘাটা,ফুলতলা,রূপসা,চিতলমারি, স্মরণখোলা,রামপাল,মোরেলগঞ্জ ইত্যাদি স্হান থেকে অসংখ্য লোক ভারতে যাওয়ার জন্যে আমাদের চুকনগর আসেচুকনগরকে তারা একটা ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহার করে২০ মে-র দুইদিন আগ থেকে আমি দেখেছি যে, এখানে হাজার হাজার লোকের সমাগমতারা এখানে এসে রান্না বান্না করে,খাওয়া-দাওয়া করে,তারপর ভারতের পথে রওয়ানা হয়২০ মে তারিখে তাদের সংখ্যা আমার মনে হয় ৩০/৪০ হাজারের কম হবে নাচুকনগর বাজারের আশপাশ দিয়ে গ্রাম গঞ্জে প্রায় ৩০/৪০ হাজার মানুষ আশ্রয় নেয়একদল আসছে,চলে যাচ্ছেআবার আসছে, চলে যাচ্ছেতারা দলে দলে আসছেআবার দলে দলে চলে যাচ্ছেহাজার হাজার মানুষ চুকনগরের পাশে ভদ্রা নদী, সেই নদীতে,রাস্তা,মাঠে এবং খেত খামারে আশ্রয় নেয় এবং একদিন বা এক বেলা থেকে তারপর চলে যায়দেখেছি যে শয়ে শয়ে নৌকায় মানুষ আসছেরাস্তা দিয়ে হেঁটে বা গরুর গাড়িতে করেও মানুষ আসছেতারা এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তারপর কেশবপুর-মোহনপুর হয়ে তারা ভারতের দিকে চলে যায়

   

২০ মে তারিখে চুকনগর বাজারের চারপাশ,আশপাশের গ্রামগঞ্জ,খোলা মাঠ,স্কুল,নদীর তীর,কোথাও কোনো খালি জায়গা  ছিলো নানদীতে শুধু নৌকা আর নৌকাতারা কেউ রান্নাবান্না করছে,কেউ খাওয়া-দাওয়া করছেকেউ কেউ রওয়ানা হচ্ছেআবার কেউ কেউ তাদের জিনিসপত্র বিক্রি করছে পানির দামেজিনিসপত্র বিক্রি হচ্ছেকিন্তু কেনার লোক তেমন নেইতারপরও তারা বিক্রির চেষ্টা করছেস্হানীয় বা শরণার্থীদের কেউ কেউ সে সব কিনছেকেনার দলে হিন্দু-মুসলমান দুই-ই ছিলোতখন সকাল বোধহয় ১১টা,আমি চুকনগর বাজারের একটা দোকানে বসাতখন আমার আব্বা সঙ্গে ছিলেনআরো কিছু লোক ছিলেন সেখানেএই সময় হঠাৎ সাতক্ষীরা রাস্তার দিক থেকে আমরা গুলির শব্দ শুনলামওখানে আমরা যারা ছিলাম তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলাবলি করছিলো পাক আর্মি যে কোনো সময় এখানে আক্রমণ করতে পারেপরিস্হিতি খুব সুবিধাজনক মনে হচ্ছে নাআমাদের যারা সিনিয়র তাদের সবার মধ্যে একটা আতঙ্ক লক্ষ্য করলামসকাল এগারোটা কি সাড়ে এগারোটা হবে হঠাৎ গুলির শব্দগুলির শব্দে চারদিকে ছুটোছুটি দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেলোআমার আব্বার একটা সাইকেল ছিলোসেই সাইকেলে চেপে আমি বাজারে গিয়েছিলামআমি তখন ইয়াং,গুলির শব্দ শুনেই সাইকেলটা সঙ্গে নিয়ে দৌড়িয়ে বাজারের ভিতর দিয়ে নদী পার হয়ে গেলামআমার বাবা কোনদিকে গেলেন সেটা আমি জানি নাতিনিই আমাকে আগে যেতে বললেনআমি যখন মাঝ নদীতে তখন বাজার এলাকায় অলরেডি গুলি হচ্ছেআমার মাথার উপর দিয়েও কয়েকটা গুলি গেলোবেপরোয়া গুলিআমি এক নৌকা থেকে আরেক নৌকা,আরেক নৌকা থেকে আর একটা এমন করে নদীটা পার হলামভদ্রা নদীতখনকার দৃশটা আমার এখনো মনে পড়েদৌড়ানোর সময় দেখেছি উনুন জ্বলছে কেউ নাই; উনুনের পাশে ছোট্ট বাচ্চাটা,একা একা কাঁদছেমা-বাপ হয় তো বাচ্চা ফেলে রেখে ছুটে পালিয়ে গেছেবাচ্চার মা-বাবা তো তখন রান্নায় ব্যস- ছিলোহঠাৎ গুলির শব্দে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায়বাচ্চাকে নেওয়ার সময়ও বোধহয় তারা পায় নাইবাচ্চা কিন্তু বসে আছেওদিকে মানুষ তো দৌড়াচ্ছেইকারো পায়ের আঘাতে বাচ্চা হয়তো আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বা পায়ের নিচে পড়ে মরে গেছে-এ রকম দৃশ্যও আমি দেখেছিযাহোক,আমি নদী পার হয়ে বেশ কিছু দূরে চলে যাইআমি যখন নদী পার হই তখন দেখলাম নদীতে ভাসমান নৌকায় অনেক নারী,শিশু ও বৃদ্ধঐ সময় নদীতে ভীষণ স্রোত

   

আমি যেখানে আশ্রয় নিয়েছি সেখান থেকে দেখতে পেলাম যে চুকনগর বাজারে আগুন জ্বলছেগুলির শব্দও পাচ্ছিলামবিকেলের দিকে যখন শুনলাম পাক আর্মি চলে গেছে তখন আমি ফিরে এলামসে সময় আমি চুকনগর বাজারে যাওয়ার পথে এবং বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে যা দেখেছি তা ভাষায় বর্ণনা করা আমার পক্ষে কঠিনসে সব দেখে যে কোনো সুস্হ মানুষই অসুস্হ হয়ে পড়বেদেখি,সেখানে শত শত মানুষের লাশচারদিকে আহত মানুষের আহাজারিএকটা পুকুরে দেখলাম দুতিনশলোকের লাশমনে হয় ঐ পুকুরে এ সব মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলোপাক আর্মি ওখানেই তাদের গুলি করে হত্যা করেছেপুকুরের পানি তখন লাল হয়ে গেছেএক জায়গায় অড়হরের একটা বড় গাছ ছিলোআমি দেখেছি সেই গাছতলায় একটা গর্তসেই গর্তের ভিতরে বিশ ত্রিশ জন মানুষের লাশপরে আমি শুনেছি মানুষ গাছের উপরে উঠেও বাঁচার চেষ্টা করেছিলোপাক আর্মি তাদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করেছেনদীর পারে এবং নদীর ধারে বটগাছের শিকড়ের ভিতরে যারা পালিয়েছিলো সেখানেও তাদেরকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছেপাকসেনারা ফেরার সময় একটা গ্রামে ঢুকে বেশ কিছু গ্রামবাসীকেও সেদিন হত্যা করেমালতি গ্রামে চিকন মোড়ল নামে এক লোক ছিলো,তার বয়স তখন প্রায় ৬৫-৭০ বছরএমন বৃদ্ধ মানুষকেও পাক আর্মি গুলি করে হত্যা করেআমাদের গ্রামে ঢুকেও একটা বাড়িতে গুলি চালায় তারাসেখানে ৭/৮ বছরের একটা ছোট বাচ্চা তাদের গুলিতে মারা যায়  চুকনগর বাজারে এসে দেখলাম লাশ আর লাশলাশের ছড়াছড়িসেখানে জীবিত বা অক্ষত মানুষ কেউ ছিলো নাআমরাই মাত্র কয়েকজন মানুষ তখন ঘোরাফিরা করছিনিহত মানুষদের মধ্যে আহত মানুষের কান্না আর আহাজারিতে তখন বাতাস ভারী হয়ে উঠেছেআহত লোকদের সেবা করারও কোনো লোক তখন ছিলো নাযারা তখনো বেঁচে ছিলো তাদের কারো গলায় গুলি,কারো পেটে গুলি,কারো বুকে গুলি,কারো পায়ে গুলি লেগেছে,কিন্তু বেঁচে ছিলোএদের অনেকেই সেদিন সারা রাত জীবিত ছিলোসকালে প্রায় সবই মারা গেলো বিনা চিকিৎসায়সবাই তো তখন পালিয়ে গেছেআমরা তখন আহত লোকদের কোনো চিকিৎসার ব্যবস্হাও করতে পারিনিএতো লাশ আর আর্তনাদের মধ্যে থাকাও যাচ্ছিলো নাআমি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে এক পর্যায়ে বাড়ি চলে গেলাম

   

পরদিন সকালে আবার চুকনগর বাজারে আসলামএসে দেখি এলাকার বেশ কিছু লোকজন ওখানেতারা লাশগুলো মাটি চাপা বা নদীতে ফেলার ব্যবস্হা করছেনকত যে লাশ এই চুকনগর বাজারের আশপাশ দিয়ে,তা তখন হিসাব করা সম্ভব ছিলো নাপরবর্তীতে এখানকার ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং মেম্বার সাহেবরা ওখানে বেশ কিছু লোক নিয়োগ করেছিলেনতারা দুইজন দুইজন করে গ্রুপ হয়ে বেশিরভাগ লাশ নদীতে ফেলে দেয়সেটাই নাকি তখন সহজ ছিলো লাশ সৎকারেরতারা আমার কাছে একটা হিসাব দিয়েছিলোতারা আমাকে বলেছিলো সাড়ে চার হাজারের মতো লাশ নদীতে ফেলবার পর তারা নাকি আর গুণতে পারেনিআমি নিজেও দেখেছি ঐ সময় হাজার হাজার লাশ নদীতে ফেলা হয়েছেপরে কেউ কেউ এসে বা আত্মীয়-স্বজনরা এসে অনেক লাশ নিয়ে গেছেঅনেক লাশ মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলোঅনেক নারী পুরুষ নদীতে পড়েও মারা গেছেসেই সময় মাত্র ভাটা শুরু হয়েছিলোসে জন্য নদীতে তীব্র স্রোত ছিলোঅনেকে হুড়োহুড়ির ভিতর নদীতে পড়ে গেছেতাদের মধ্যে যারা সাঁতার জানতো না তারা ভেসে গেছেএদের সংখ্যাও কম ছিলো নাআমার মনে হয় চুকনগর হত্যাকান্ডে নিহতের সংখ্যা কোনো অবস্হাতেই ৬/৭ হাজারের কম হবে নাযুদ্ধে কোনো এক জায়গায় একই সময়ে এতো লোকের জীবন হানির ঘটনা আর ঘটেছে বলে মনে হয় নাআমরা শুনেছি যে,ভিয়েতনামের মাইলাইয়ে আমেরিকান দখলদার সেনাবাহিনী নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিলোনিহতদের স্মরণে এখন আন-র্জাতিকভাবে হত্যা দিনটি পালন করা হয়আমরা শুনেছি,সেখানে ১৬ শর মতো লোক মারা গিয়েছিলোআবার কেউ কেউ বলে তার চাইতে কমএক স্হানে ষোল শলোক মারা যাওয়ার দিনটা যদি বিশ্বের ইতিহাসে একটা দু:খজনক দিবস হিসেবে বিবেচিত হয়-তাহলে চুকনগর হত্যাকান্ডের দিনও আন-র্জাতিকভাবে পালিত হওয়া উচিতআমার মনে হয় চুকনগরের ঘটনা পৃথিবীতে সংঘটিত সমস্ত ঘটনাকে ম্লান করে দেবেসারা বিশ্বে স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে এতোবড় হত্যাকান্ড আর হয়েছে বলে আমার মনে হয় না

 

প্র: ঐ হত্যাকান্ডে পাক বাহিনীর কতোজন সেনা অংশ নিয়েছিলো ?

 

উ: আমরা তো সরাসরি তাদের দেখিনিসেটা দেখা সম্ভবও ছিলো নাআমি তো একটু দূরে পালিয়ে গিয়েছিলামকিন্তু তারা যখন আসে তখন আমি বাজারে ছিলামতারা বোধহয় সাতক্ষীরার রাস্তা দিয়ে আসেওই রাস্তা বাজার থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিম দিকেওখানে তারা প্রথম গুলি করেগুলির শব্দ পেয়ে আমি পালিয়ে যাইযাহোক,আমি পরে শুনেছি তারা বেশ কয়টা গাড়িতে করে এসে একসঙ্গে চারদিকে ফায়ারিং শুরু করে

 

প্র: পাক বাহিনীর সঙ্গে স্হানীয় সহযোগী কেউ ছিলো কি,কিংবা তাদের কেউ খবর দিয়ে এনেছিলো কি ?

 

উ: আমি আগেই বলেছি যে,আমাদের ভিতরে তখন একটা আতঙ্ক কাজ করছিলোআমাদের মনে হয়েছিলো, এখানে যে কোনো সময় পাক মিলিটারি আসতে পারেঅনেক মানুষ এখানে আসছেতারপর তারা এখান থেকে ভারতে যাচ্ছেএই জায়গাটাকে শরণার্থীরা ট্রানজিট ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করতোআমি পরে শুনেছিলাম যে, মুসলিম লীগ বা শান্তি কমিটির কেউ তাদের খবর দিয়েছিলোকোনো ইনফরমেশনের ভিত্তিতেই বোধহয় পাক আর্মি এখানে আসেতবে সেটা কারা করেছিলো তা আমি জানি নাচুকনগর হত্যাকান্ডের উপর আমি নিজেও পরে কিছু তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছিকিন্তু কে তাদের ইনফরমেশন দিয়েছিলো বা কাদের সাথে তাদের যোগাযোগ ছিলো-এমন সব তথ্য উদ্ধার করতে পারিনিতবে আমার মনে হয় কেউ না কেউ তাদের ইনফরম করেছিলোযদি বাঙালি কেউ এটা করে থাকে তবে সে তো আর এখন স্বীকার করবে নাস্বীকার করার কথাও না

 

প্র: ওই হত্যাকান্ডের পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী আপনাদের এলাকায় আর এসেছিলো কি ?

 

উ: হ্যাঁ,এরপরেও তারা মাঝে মাঝে এসেছেতবে তখন তারা তেমন ঘটনা ঘটায়নিপরে তো আমি মুক্তিযুদ্ধে চলে গেছিপরবর্তীতে তারা এখানে আর কোনো ঘটনা ঘটায়নিতবে শুনেছি যে পাক আর্মি আমাদেরকে খুঁজতে আসতো

 

প্র: পাক বাহিনী এই এলাকায় কোনো ক্যাম্প করেছিলো কি ?

 

উ: